মন্ত্রী-এমপিদের সম্পদের পাহাড়
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আওয়ামী লীগের ৯৩% প্রার্থীই কোটিপতি। হলফনামায় থাকা সম্পদের বাইরেও আরও সম্পদ রয়েছে যা তারা প্রকাশ করেনি।
অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য নির্বাচনের আগে সিপিডি’র এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “যে যতবার নির্বাচন করেছে, তার আয় গাণিতিকভাবে তত বেশি বেড়েছে। মানে, আয় বৃদ্ধির হারের সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বা নির্বাচিত হওয়ার একটা ইতিবাচক সম্পর্কে রয়েছে।”
সংসদ নির্বাচনে কিছু প্রার্থীর সম্পদের তালিকা :
গোলাম দস্তগীর গাজী– সম্পদ ৩৪৬ কোটি টাকা (বৃদ্ধির হার ২৭০৪%)
সালমান এফ রহমান– সম্পদ ৩১২ কোটি টাকা, ৫ বছরে তার আয় বেড়েছে ২.৭ গুণ।
মো. সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর সম্পদ– ২৩৮ কোটি টাকা, গত ৮ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ২৭ গুণের বেশি।
জাসদ সভাপতি ইনু– নগদ টাকা ১০ বছরে বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ। তিনি ২৫ ভরি স্বর্ণের দাম দিয়েছেন ২৫ হাজার টাকা।
মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খান– আয় বেড়েছে ৩২ গুণ।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক– অস্থাবর-স্থাবর সম্পদ ৫ বছরে বেড়েছে সাড়ে ১১ গুণ ও ৪ গুণ।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ– আয় বেড়েছে প্রায় ৪০ গুণ।
৮. পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী– সম্পদ ২ কোটি থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৯ কোটি।
৯. তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ– শূন্য-সম্পদ থেকে কোটিপতি।
১০. আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম নাছিম– নগদ টাকা বেড়েছে ১৭ গুণ।
১১. ১৫ বছরে শিল্পমন্ত্রীর অস্থাবর-স্থাবর সম্পদ বেড়েছে যথাক্রমে ৯ ও ১৯ গুণের বেশি।
১২. শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনির আয় বেড়েছে ৪১ গুণ।
১৩. শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুলের স্থায়ী আমনত বেড়েছে ১৬ গুণ।
১৪. রেলমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৩২ গুণ।
১৫. ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদ বেড়ে ৮৬ গুণ
১৬. বিমান প্রতিমন্ত্রীর ব্যাংকে জমা বেড়েছে ৪৮ গুণ।
১৭. হুইপ সাইদের জমা ও বিনিয়োগ বেড়েছে ২২ গুণ।
১৮. জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হকের আয় বেড়েছে ১৩ গুণ।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
মন্ত্রী-এমপিদের সম্পদের পাহাড়
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আওয়ামী লীগের ৯৩% প্রার্থীই কোটিপতি। হলফনামায় থাকা সম্পদের বাইরেও আরও সম্পদ রয়েছে যা তারা প্রকাশ করেনি।
অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য নির্বাচনের আগে সিপিডি’র এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “যে যতবার নির্বাচন করেছে, তার আয় গাণিতিকভাবে তত বেশি বেড়েছে। মানে, আয় বৃদ্ধির হারের সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বা নির্বাচিত হওয়ার একটা ইতিবাচক সম্পর্কে রয়েছে।”
সংসদ নির্বাচনে কিছু প্রার্থীর সম্পদের তালিকা :
গোলাম দস্তগীর গাজী– সম্পদ ৩৪৬ কোটি টাকা (বৃদ্ধির হার ২৭০৪%)
সালমান এফ রহমান– সম্পদ ৩১২ কোটি টাকা, ৫ বছরে তার আয় বেড়েছে ২.৭ গুণ।
মো. সাঈদ খোকন ও তার স্ত্রীর সম্পদ– ২৩৮ কোটি টাকা, গত ৮ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ২৭ গুণের বেশি।
জাসদ সভাপতি ইনু– নগদ টাকা ১০ বছরে বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ। তিনি ২৫ ভরি স্বর্ণের দাম দিয়েছেন ২৫ হাজার টাকা।
মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খান– আয় বেড়েছে ৩২ গুণ।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক– অস্থাবর-স্থাবর সম্পদ ৫ বছরে বেড়েছে সাড়ে ১১ গুণ ও ৪ গুণ।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ– আয় বেড়েছে প্রায় ৪০ গুণ।
৮. পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী– সম্পদ ২ কোটি থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৯ কোটি।
৯. তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ– শূন্য-সম্পদ থেকে কোটিপতি।
১০. আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম নাছিম– নগদ টাকা বেড়েছে ১৭ গুণ।
১১. ১৫ বছরে শিল্পমন্ত্রীর অস্থাবর-স্থাবর সম্পদ বেড়েছে যথাক্রমে ৯ ও ১৯ গুণের বেশি।
১২. শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনির আয় বেড়েছে ৪১ গুণ।
১৩. শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুলের স্থায়ী আমনত বেড়েছে ১৬ গুণ।
১৪. রেলমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৩২ গুণ।
১৫. ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদ বেড়ে ৮৬ গুণ
১৬. বিমান প্রতিমন্ত্রীর ব্যাংকে জমা বেড়েছে ৪৮ গুণ।
১৭. হুইপ সাইদের জমা ও বিনিয়োগ বেড়েছে ২২ গুণ।
১৮. জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হকের আয় বেড়েছে ১৩ গুণ।
আরও খবর
- শনি
- রোব
- সোম
- মঙ্গল
- বুধ
- বৃহ
- শুক্র
